Welcome - Starland Public School

এখন আগামী এখানে

শিশুরা এই সমাজের পুঁজি। ফুল বাগানে পরিচর্চা না নিয়ে যেমনি বাগান নষ্ট হয়ে যায়, তেমনি শিশুদের যথাযথ পরিচর্চার অভাবে বিকাশের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। শিশুদের মন ফুল বাগানের মত পরিচর্চা ফেলে তার বিকাশ ঘটে। প্রতিটি শিশুর মধ্যে প্রতিভা সুপ্ত থাকে। সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে সে হয়ে উঠে সমাজের অগ্রসৈনিক। শিশুর মেধা ও মনন না বুঝে গতানুগতিক মুখস্ত বিদ্যার যাঁতা-কলে পড়ে ধ্বংস হয়ে যায় প্রতিভা। শুধুমাত্র ক্লাস-পরীক্ষার নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা যাচাই করা যায় না, দেহ-মনে বিকাশও হয় না। পড়াশুনার পাশাপাশি দেহ মনে বিকশিত হওয়ার পরিপূরক আয়োজন আবশ্যক। শুধুমাত্র পাশ করা আর পরিক্ষা দেওয়া মধ্যে দিয়ে দেহ -মনে বিকাশ সাধন সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় মনীষি ভাবনায় শিক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে স্টারল্যান্ড পাবলিক স্কুলের অগ্রযাত্রা। দেহ -মনে বিকশিত মানুষ হয়ে উঠার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। একটা মানব শিশু জন্মের পর থেকেই শিখতে শুরু করে। সন্তানের মা-বাবা,পরিবারের অপরাপর সদস্য ও আশেপাশের মানুষদের হাঁটা-চলা,কথা-বার্তা,পারস্পরিক ভাব-ভঙ্গী শিশু রপ্ত করতে চেষ্টা করে এবং পরিবারের সদস্যদের রুচি-অভ্যাস,চরিত্র-ব্যক্তিত্ব ইত্যাদির প্রভাব নিয়েই শিশু বেড়ে উঠে। ৩ বছর থেকে ৫ বছর সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ; কারণ তখন থেকেই মানুষের জীবনের প্রাথমিক ভিত্তি নির্মিত হয়। এজন্য এ সময় থেকেই প্রয়োজন পড়ে একটা প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজনের। আলবার্ট আইনস্টাইন বলেন,”কেবল সত্যের জ্ঞানই যথেষ্ট নয়। অক্লান্ত প্রচেষ্ঠায় অবিরাম সেই জ্ঞান নবায়ন করতে হবে। এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্ম ঐতিহ্যের সম্পদ হস্থান্তরের ক্ষেত্র হিসেবে পরিবার আজ দূর্বল হয়ে পড়েছে”। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে মানুষের শারীরিক, মানসিক, মানবিক, আক্ষরিক ও প্রায়োগিক ক্ষমতা, দক্ষতা ও যোগ্যতা ইত্যাদির সুষম বিকাশের প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন ও পরিবেশকে বুঝায়। স্টারল্যান্ড পাবলিক স্কুল সীমিত আয়োজনে উক্ত প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ণরত শিশুদের সার্বিক বিকাশে গুরুত্পাূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।